এ্যামনেস্টি ‍ইন্টারন্যাশনালের সংবিধান

এটা মেক্সিকোর মোরেলোস ‍এ ২০০৫ সালের ১৪ থেকে ৩০শে ‍আগস্ট অনুষ্ঠিত ২৭তম ‍আন্তর্জাতিক পরিষদ বৈঠক কর্তৃক সংশোধিত৷

ভবিষ্যত স্বপ্ন ও একনিষ্ঠ লক্ষ্য

১৷ ‍এ্যামনেস্টি ‍ইন্টারন্যাশনালের ‍এমন ‍একটা পৃথিবীর ভবিষ্যত স্বপ্ন যেখানে প্রতিটি মানুষ সবর্জনীন মানবাধিকার ঘোষনা ‍এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানের মধ্যে নিবদ্ধ সমস্ত মানবাধিকার ভোগ করে৷

এই ভবিষ্যত স্বপ্ন পূরণের ‍উদ্দেশ্যে ‍এ্যামনেস্টি ‍ইন্টারন্যাশনালের ‍একনিষ্ঠ লক্ষ্য হচ্ছে মানবাধিকার ‍উন্নয়নের জন্যে তাদের কাজের প্রেক্ষিতে গবেষণা ও কাজ চালিয়ে যাওয়া, যার কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে শারীরিক ও মানসিক সংহতি বজায় রাখার অধিকারের ক্ষেত্রে বিভিন্ন গুরুতর অনাচার নিবারণ ও অবসান করা, বিবেকের ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতা ‍আর বৈষম্যের ভুক্তভোগী না হওয়ার অধিকার৷

মূল মূল্যবোধগুলি

২৷ ‍এ্যামনেস্টি ‍ইন্টারন্যাশনাল ‍মানবাধিকার রক্ষাকারীদের নিয়ে গঠিত ‍এক বিশ্ব সম্প্রদায়, যাদের নীতি হচ্ছে ‍আন্তর্জাতিক সংহতি, ভুক্তভোগী ব্যক্তির জন্যে ফলপ্রসূ পদক্ষেপ, বিশ্বজুড়ে কর্মকান্ড, মানবাধিকারের সবর্জনীনতা ও অবিভাজ্যতা, নিরপেক্ষতা ও স্বাধীনতা ‍এবং গণতন্ত্র ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা৷

পদ্ধতি

৩৷ ‍এ্যামনেস্টি ‍ইন্টারন্যাশনাল সরকার, আন্তঃসরকার সংস্থা, সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠি, কোম্পানী ও অন্যান্য রাষ্ট্রযন্ত্র-বহির্ভূত ব্যক্তিদের বিষয়ে কাজ করে৷

এ্যামনেস্টি ‍ইন্টারন্যাশনাল মানবাধিকার অনাচারগুলি নির্ভূলভাবে, দ্রুত ও অনবরতভাবে প্রকাশ করতে চায়৷ তারা পদ্ধতিগতভাবে ও নিরপেক্ষভাবে মানবাধিকার অনাচারের প্রতিটি প্রবণতার ও ঘটনার তথ্য নিয়ে গবেষণা করে৷ ‍এই অনাচারগুলি বন্ধের ‍উদ্দেশ্যে এসব অনুসন্ধানের তথ্য প্রচার করা হয় ‍এবং সরকারগুলির ‍উপর চাপ সৃষ্টির ‍উদ্দেশ্যে ‍সদস্যদের সমর্থকদের ‍এবং কর্মচারীদের সংগঠিত করা হয়৷

মানবাধিকার লঙ্ঘনের সুনির্দিষ্ট অনাচারগুলি নিয়ে কাজ করা ছাড়াও ‍এ্যামনেস্টি ‍ইন্টারন্যাশনাল সকল সরকারকে আইন পালন করার জন্যে ‍‍এবং মানবাধিকারের মানগুলি অনুমোদন ও বাস্তবায়নের জন্যে ‍আহ্বান জানায়৷ তারা অনেকধরণের শিক্ষামূলক মানবাধিকার তৎপরতা চালায় ‍এবং তারা ‍আন্তঃসরকার সংস্থাগুলি, ব্যক্তি ‍এবং সমাজের সমস্ত প্রতিষ্ঠানগুলিকে মানবাধিকারকে সমর্থন ও শ্রদ্ধা করার জন্যে ‍উৎসাহিত করে৷