ইরানী শরণার্থীদেরকে তুরস্কে আটকাবস্থা থেকে মুক্তি দেয়া হয়েছে

২৭ অক্টোবর ২০০৯

দুইজন ইরানী শরণার্থী যাদেরকে তুরস্কে আশ্রয় পদ্ধতির সুযোগ দিতে অস্বীকার করা হয়েছিল এবং এক বছরের বেশি সময় ধরে অবৈধভাবে আটক রাখা হয়েছিল তাদের পক্ষে কয়েক মাস ধরে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের প্রচারাভিযানের পর তাদেরকে মুক্তি দেয়া হয়েছে৷

The European Court of Human Rights ruled that the two men's detention was unlawful.

ইউরোপীয় মানবাধিকার আদালত (ইউরোপীয়ান কোর্ট অব হিউম্যান রাইটস, (ECtHR) তাদেরকে স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত করাকে অবৈধ হিসেবে রায় দেয়ার এক মাস পর মোহসেন আবদুলখানি এবং হামিদ করিমনিয়াকে মুক্তি দেয়া হয়৷

ইউরোপীয় মানবাধিকার আদালতে মামলাটি বিবেচনাধীন থাকাকালীন সময়ে তাদেরকে তুরস্ক থেকে বের করে দেয়া ঠেকানোর জন্য আদালতের মধ্যবর্তী রায় থাকা সত্ত্বেও এই দুই ব্যক্তিকে কার্কলারেলির একটি “বিদেশীদের জন্য গেস্ট-হাউসে” আটক রাখা হয়৷

মোহসেন আবদুলখানি অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালকে জানানঃ “যখন আমরা শুনলাম যে আমাদেরকে মুক্তি দেয়া হবে, এটা ছিল আবার জন্মগ্রহণ করার মতো”৷

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল অবগত আছে যে তুরস্কে শত শত ব্যক্তিকে বিদেশীদের জন্য গেস্ট-হাউসে অবৈধভাবে আটক রাখা অব্যাহত রয়েছে৷

ইউরোপীয় মানবাধিকার কমিশন আইনের যে ধারাগুলোকে অবৈধ বলে রায় দিয়েছে সেগুলোর অধীনে মোহসেন আবদুলখানি, হামিদ করিমনিয়া এবং অন্য যাদেরকে আটক রাখা হয়েছে তাদেরকে অবিলম্বে মুক্তি দেয়ার আহ্বান জানিয়ে ২৮ সেপ্টেম্বর তারিখে, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল একটি উন্মুক্ত প্রচারাভিযান শুরু করে৷

ভবিষ্যতে এই ধরনের অবৈধ আটকাবস্থা প্রতিরোধ করার জন্য সংগঠনটি সেই আইনগুলো সংশোধনের আহ্বান জানিয়েছে যেগুলোর অধীনে কাউকে বিদেশীদের জন্য গেস্ট-হাউসে আটক রাখা হয়৷

২২ সেপ্টেম্বর তারিখে ইউরোপীয় মানবাধিকার কমিশন রায় দেয় যে মোহসেন আবদুলখানি এবং হামিদ করিমনিয়াকে অবৈধভাবে আটক রাখা হয়েছে এবং, যদি তাদেরকে ইরান বা ইরাকে ফেরত পাঠানো হয়, তাহলে এটা হবে নির্যাতন বা অন্যান্য দুর্ব্যবহার থেকে রক্ষা পাওয়ার ক্ষেত্রে তাদের অধিকারের লঙ্ঘন৷

আরো পড়ুন
তুরস্কে নিরাপত্তা প্রত্যাখ্যান - শরণার্থীদেরকে অবৈধভাবে আটক রাখা হয়েছে (ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন, ২৭ অক্টোবর ২০০৯)
আদালতের রায় সত্ত্বেও ইরানী শরণার্থীদেরকে এখনো তুরস্কে আটক রাখা হয়েছে (সংবাদ, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০০৯)