চীনা পুলিশ দক্ষিণের শহর গুয়াংঝুতে একটি বেআইনী ইন্টারনেট ক্যাফেতে অভিযান চালায়, ২০ জুন ২০০২৷© প্রাইভেট
২০০১ সালে, যখন ২০০৮ সালের অলিম্পিকের জন্য বেইজিংকে নির্বাচিত করা হয়, চীন সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে “অলিম্পিক গেমসের সময় পর্যন্ত এবং গেমস চলাকালীন সময়েও প্রচারমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ ও সাংবাদিকদের চলাচলের উপর কোনো বাধানিষেধ থাকবে না৷”
“প্রচারমাধ্যমের পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা” সম্পর্কে চীনের প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও স্বতন্ত্র সাংবাদিক, সংবাদপত্র ও ওয়েবসাইটের উপর চলমান দমন অভিযানের মাধ্যমে তার সাথে আপোস করা হয় যার কারণে প্রচারমাধ্যমের স্বাধীনতাকামী সংগঠনগুলো কর্তৃক দেশটিকে “সাংবাদিকদের জন্য বিশ্বের নেতৃস্থানীয় কারারক্ষক” হিসেবে নামকরণ করা হয়৷
ওয়েবসাইট, ব্লগ ও ই-মেইলের জন্য সেন্সরশিপও একটি প্রধান উদ্বেগের বিষয়৷ আনুমানিক ৩০,০০০ পুলিশের শক্তিশালী বাহিনী কর্তৃক পরিচালিত, দি “গোল্ডেন শিল্ড” বা “গ্রেট ফায়ারওয়াল অব চায়না”-কে বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে নিবিড়, কারিগরিভাবে সমৃদ্ধ ও ব্যাপকভাবে বিস্তৃত ইন্টারনেট ফিল্টারিং পদ্ধতি বলে ধারণা করা হয়৷
এবং, যদিও নতুন সাময়িক বিধিগুলো ২০০৮ সালের অক্টোবর পর্যন্ত চীনে সাক্ষাৎকার গ্রহণ করার জন্য বিদেশি সাংবাদিকদেরকে আরো বেশি স্বাধীনতা দিতে পারে, কিন্তু তাদের প্রতিবেদনগুলোর অভ্যন্তরীণ বিতরণের উপর বাধানিষেধ এবং চীনের অভ্যন্তরীণ প্রচারমাধ্যমের উপর নিয়ন্ত্রণ কঠোরতর করা হয়েছে৷
বিদেশি সাংবাদিকদেরকে প্রদত্ত একই স্বাধীনতা তার অভ্যন্তরীণ প্রচারমাধ্যমকে প্রদানের জন্য এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল চীনকে আহ্বান জানিয়েছে৷ কর্তৃপক্ষের উচিত চীনে প্রচার, মুদ্রণ ও অনলাইন প্রচারমাধ্যম উপর অন্যায্য সেন্সরশিপ বন্ধ করা এবং নির্বিচারে আটক, হয়রানি ও সাংবাদিকদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা লঙ্ঘন করে তাদেরকে অন্যায্যভাবে বরখাস্ত করা প্রতিরোধ করার জন্য জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা৷
Delicious
Digg
Facebook
Technorati