নির্যাতনের জন্য কোনো অজুহাত থাকতে পারে না

নির্যাতন ও অন্যান্য নিষ্ঠুর, অমানবিক বা অবমাননাকর আচরণ, যেমন দাসত্ব ও গণহত্যা, সবসময়ই ভুল৷ এই নীতি বহু বছর আগেই প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, এবং আন্তর্জাতিক আইনে সন্নিবেশিত করা হয়েছে৷

মানবাধিকারের সবর্জনীন ঘোষণা-এর অনুচ্ছেদ ৫ অনুযায়ী সবার অধিকার রয়েছে নির্যাতন ও নিষ্ঠুর, অমানবিক বা অবমাননাকর আচরণ বা শাস্তির (‘অন্যান্য নিষ্ঠুর-আচরণ’) হাত থেকে মুক্ত থাকার৷ 

 

এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের ২০০৮ সালের প্রতিবেদনে দেখা যায় যে জাতিসংঘ কর্তৃক ঘোষণাপত্রটি গৃহীত হওয়ার ৬০ বছর পরে, এখনো সারাবিশ্বজুড়ে মানুষ নির্যাতন বা নিষ্ঠুর-আচরণের শিকার হচ্ছে৷  প্রতিবেদনটি ৮১টি দেশের অবস্থাকে তুলে ধরে, কিন্তু আরো অনেকগুলো দেশেও নির্যাতন ও অন্যান্য নিষ্ঠুর-আচরণের ঘটনা ঘটে থাকে৷

 

সংগঠনটি কয়েক দশকের নির্যাতন লিপিবদ্ধ করেছে, যাতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এমন পরিস্থিতিসমূহ যেখানে সরকারগুলো সন্ত্রাসের হুমকিকে আবাহন করেছে যাতে এর ব্যবহারের পক্ষে সাফাই গাওয়া যায়৷ কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সন্ত্রাসবাদ দমনের নামে দেশগুলো কর্তৃক গৃহীত ব্যবস্থাগুলো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার প্রতি সম্মানকে দুর্বল করার হুমকি দেয় এবং এর গুরুত্ব অনুধাবনকে জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা প্রদর্শন করে৷ 

 

নির্যাতন কী? অপব্যবহার কী?

নির্যাতনের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের সমঝোতায় নির্যাতনের সংজ্ঞার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে কাউকে বৈষম্যের ভিত্তিতে শাস্তি প্রদান, ভীতি প্রদর্শন বা দমন করা, বা অন্য কোনো কারণে তথ্য বা স্বীকারোক্তি আদায়ের জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর শারীরিক বা মানসিক ব্যথা বা যন্ত্রণা প্রদান করা৷    

 

কোনো একটি নির্দিষ্ট ধরনের অপব্যবহারকে নির্যাতন বা অন্যান্য নিষ্ঠুর-আচরণ হিসেবে গণ্য করা যায় কিনা তা নিয়ে সবাই সব সময় একমত নাও হতে পারেন, কিন্তু আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে উভয়ই সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যুদ্ধকালীন সময় বা অন্য জরুরি পরিস্থিতি৷

 

নিষেধাজ্ঞার প্রতি সম্মান শুধুমাত্র একটি আইনী বাধ্যবাধকতাই নয়৷ এই সর্বজনীন নিষেধাজ্ঞা একটি আন্তর্জাতিক ঐক্যমতের ভিত্তিতে গঠিত যা হচ্ছে প্রতিটি নির্যাতন বা অন্যান্য নিষ্ঠুর-আচরণের ঘটনা নীতিগতভাবে অগ্রহণযোগ্য এবং যা মানব মর্যাদার প্রতি একটি অপরাধ৷ 

 

নির্যাতনের বিরুদ্ধে ঐকমত্য হুমকির সম্মুখীন

 

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তারিখের হামলার জবাবে সরকারগুলোর গৃহীত কিছু ব্যবস্থা, এবং সেইসাথে তারপর থেকে অন্য দেশগুলোতে আক্রমণ বা আক্রমণের হুমকি, মানবাধিকার সুরক্ষার অবকাঠামোতে একটি গুরুতর আঘাতে রূপলাভ করেছে৷ রাষ্ট্রগুলো নির্যাতন ও অন্যান্য নিষ্ঠুর-আচরণ ব্যবহার করেছে এবং একে নিরাপত্তার নামে সমর্থন করা, এবং দোষীদেরকে দায়মুক্তি দেয়ার চেষ্টা করেছে৷

 

কেউ কেউ তাদের আইনগত বাধ্যবাধকতা ও দায়-দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে, তারা “নির্যাতন”-কে ভুল ও বেআইনী হিসেবে স্বীকার করেছে এবং একই সময়ে জাতীয় পর্যায়ে “নির্যাতন” ও “নিষ্ঠুর, অমানবিক বা অবমাননাকর শাস্তি”-এর সংজ্ঞা প্রদানের চেষ্টা করছে যা থেকে কিছু নির্দিষ্ট কৌশল বা পরিস্থিতিকে বাদ রাখা হয়েছে৷  

 

নির্যাতন ও অন্যান্য নিষ্ঠুর-আচরণের নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে হামলায় যুক্তরাষ্ট্র সরকার অগ্রভাগে রয়েছে৷  যুক্তি দেখানো হয়েছে যে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন বৈশ্বিক ও প্রায়-অন্তহীন “যুদ্ধ”-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, কিন্তু এই প্রকৃত সত্যটি বেছে বেছে উপেক্ষা করা হয়েছে যে যুদ্ধের আইনগুলোও এই ধরনের অপব্যবহারকে নিষিদ্ধ করে৷ অন্যান্য রাষ্ট্র, জাতি ও আন্তর্জাতিক আদালত, এবং বিশেষজ্ঞ কর্তৃক এই যুক্তিগুলো প্রায় সর্বজনীনভাবে প্রত্যাখ্যান করা হয়৷

 

যুক্তরাষ্ট্র সরকার নির্যাতনের অনুমোদন দেয়

আবু ঘ্রাইব কারাগারে বন্দিদেরকে অপমানকারী ও ত্রাস সৃষ্টিকারী মার্কিন সৈন্যদের ছবি ২০০৪ সালে প্রকাশিত হলে তা সারাবিশ্বকে নাড়া দেয়৷  আফগানিস্তান, ইরাক ও গুয়ান্তানামোতে মার্কিন বন্দী শিবিরগুলো থেকে নির্যাতন ও অন্যান্য নিষ্ঠুর-আচরণের অসংখ্য অভিযোগ পাওয়ার পর এই ছবিগুলো প্রকাশিত হয়৷

 

আবু ঘ্রাইব কলঙ্ক প্রকাশিত নির্যাতনের নিন্দা করার জন্য এবং বন্দীদের প্রতি আচরণের সীমিত তদন্ত, ও পর্যালোচনা করার জন্য মার্কিন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদেরকে বাধ্য করে৷ তবুও এগুলো দায়ী সবার জন্য দায়বদ্ধতা, নির্যাতনের শিকারদের জন্য ক্ষতিপূরণ বা ভবিষ্যতে এই ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘনের পুনরাবৃত্তি প্রতিরোধ করার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণে পর্যবসিত হতে পারেনি৷  

 

অবশ্য, আমরা জানি যে মার্কিন প্রশাসন জিজ্ঞাসাবাদের পদ্ধতি অনুমোদন করেছে - যার মধ্যে রয়েছে কষ্টকর অবস্থান, দীর্ঘ সময় ধরে বিচ্ছিন্ন রাখা, স্নায়বিক বঞ্চনা ও ডুবিয়ে মারার ভান করা - যা আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী নির্যাতন বা অন্যান্য নিষ্ঠুর-আচরণের অন্তর্ভুক্ত৷  

 

মার্কিন সরকার বন্দী হস্তান্তরের একটি কর্মসূচি পরিচালনা করেছে - যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে সন্ত্রাসবাদের জন্য সন্দেহভাজন ব্যক্তিদেরকে এক দেশ থেকে অন্য দেশে স্থানান্তর করা, এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এমন দেশে স্থানান্তর করা যেখানে তারা নির্যাতন ও অন্যান্য নিষ্ঠুর-আচরণের সত্যিকার ঝুঁকিতে থাকে - সেইসাথে গোপন কারাগারের একটি কর্মসূচি, যেখানে বন্দীরা বলপূর্বক অন্তর্ধানের শিকারে পরিণত হয়েছে৷

 

মার্কিন প্রশাসন নির্যাতন ও অন্যান্য নিষ্ঠুর-আচরণের অনুমোদন দিয়েছে এবং “পরিস্থিতির” প্রয়োজনে আবারো তা করার অধিকার সংরক্ষণ করেছে৷ মার্কিন আইন, আইন সম্পর্কিত মতামত ও নির্বাহী আদেশ যা এই ধরনের চর্চায় সহায়তা করে সেগুলো অবশ্যই সংশোধন বা বাতিল করতে হবে, এবং নির্যাতনের ক্ষেত্রে দায়মুক্তির অবসান ঘটাতে হবে৷

 

নির্যাতনকারী দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্ক

 

বন্দীদেরকে জোরপূর্বক এমন দেশে স্থানান্তর করতে চেয়ে সারা বিশ্বজুড়ে অন্যান্য দেশগুলো নির্যাতনের আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞাকে দুর্বল করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছে, যেখানে বন্দীরা সত্যিকার অর্থেই নির্যাতনের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

 

যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রিয়া, কানাডা, জার্মানি, ইটালী, যুক্তরাজ্য ও সুইডেন সহ অন্যান্য দেশের সরকারগুলো বন্দী সরবরাহ দেশগুলোর কাছ থেকে “কূটনৈতিক নিশ্চয়তা” চেয়েছে ও এই নিশ্চয়তাও দিয়েছে যে বন্দীরা নির্যাতন ও অন্যান্য গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হবে না৷ 

 

এই সব “নিশ্চয়তাগুলো” মূলত এমন প্রতিশ্রুতি যা কার্যকরীকরণযোগ্য নয় এবং, এগুলো গ্রহণ করার মাধ্যমে, প্রেরণকারী দেশ কার্যত গ্রহণকারী দেশে অন্যান্য বন্দীদের উপর নির্যাতনকে স্বীকার করে নেয়৷ যে সব ক্ষেত্রে যথাযথ আচরণের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা হয়েছে, সেসব ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা গুরুতর পরিণতি ভোগ করেছে৷

 

অল্প কয়েকজন ব্যক্তির জন্য অব্যাহতি চাওয়ার পরিবর্তে, সকল নির্যাতন ও অন্যান্য নিষ্ঠুর-আচরণের অবসান ঘটানোর জন্য রাষ্ট্রগুলোকে অবশ্যই একত্রে কাজ করতে হবে৷ কূটনৈতিক নিশ্চয়তার নিন্দা জানানো উচিত এবং তা পরিত্যাগ করা উচিত৷

 

দমননীতির পুরাতন রীতি, নতুন অলঙ্কার

 

নির্যাতন ও অন্যান্য নিষ্ঠুর-আচরণ নতুন নয়৷ কিন্তু, সারাবিশ্বজুড়ে যে সব দেশে ২০০১ সালের আগে নির্যাতন ও অন্যান্য নিষ্ঠুর-আচরণ বহুল প্রচলিত ছিল, সেসব দেশের সরকারগুলো অপব্যবহারের প্রতি সহনশীলতার এই ধরনের নতুন পরিবেশে শুধু উৎসাহই পাবে৷

 

‍উদাহরণস্বরূপ, গত পাঁচ বছরে, তিউনিশিয়ার সরকার শত শত ব্যক্তিকে, হাজার হাজার না হলেও, সন্ত্রাসবাদ-সংশ্লিষ্ট অপরাধের সন্দেহে গ্রেপ্তার করেছে৷ অনেককেই নির্যাতন করা হয়েছে এবং অন্যভাবে নিষ্ঠুর-আচরণ করা হয়েছে, যোগাযোগবিচ্ছিন্ন অবস্থায় রাখা হয়েছে এবং নিরুদ্দেশ করা হয়েছে৷  অনেককেই পক্ষপাতমূলক বিচারের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি কারাদন্ডে বা এমনকি মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত করা হয়েছে৷

 

পাকিস্তানে আল-কায়েদা ও তালেবানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের প্রেক্ষাপটে, হাজার হাজার ব্যক্তিকে, পাকিস্তানী ও বিদেশী নাগরিক উভয়ই, নির্বিচারে বন্দী করা হয়েছে এবং বলপূর্বক নিরুদ্দেশ করা হয়েছে৷

 

নির্যাতন নিরাপত্তা প্রদান করে না

 

জাতিসংঘ নিরাপত্তা কাউন্সিল ও সাধারণ পরিষদে, এবং আরো অনেকগুলো আন্তর্জাতিক সংগঠনে, রাষ্ট্রগুলো নিজেরাই স্বীকার করেছে যে, যদিও প্রতিটি সরকারের দায়িত্ব রয়েছে জনগণকে সহিংস আক্রমণ থেকে রক্ষা করা, তা করার সময় তাদেরকে অবশ্যই মানবাধিকারের প্রতি তাদের আইনগত বাধ্যবাধকতাকে পরিপূর্ণভাবে সম্মান করতে হবে৷

 

মানবাধিকারের কাঠামোকে শক্তিশালী করার মাধ্যমেই কেবলমাত্র প্রকৃত নিরাপত্তা অর্জন করা যেতে পারে, নির্যাতনের মত অবৈধ অনুশীলনের আশ্রয় নিয়ে মানবাধিকারকে দুর্বল করার মাধ্যমে নয়৷

 

নির্যাতন ও অন্যান্য নিষ্ঠুর-আচরণঃ
• ... সব সময়ই ভুল, সন্দেহভাজন ব্যক্তি কী জানতো বা কী করতে পারে এই সম্পর্কে যাই মনে করা হোক না কেন
• … আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ
• ... জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অনির্ভরযোগ্য কৌশল
• … ছড়িয়ে পড়ে এবং, একবার অনুমোদন দেয়া হলে, কখনোই “শুধু একবার”-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না
• … আইনের শাসনের অবক্ষয় ঘটায় এবং অপরাধ বিচার পদ্ধতিকে দুর্বল করে ফেলে
• … আমাদেরকে আরো নিরাপদ করে না
• … কখনই, কোনোভাবেই, এর ন্যায্যতা প্রতিপাদন করা যায় না

কী করা দরকার?

 

সবগুলো দেশ অবশ্যইঃ

- সব ধরনের নির্যাতন ও অন্যান্য নিষ্ঠুর-আচরণের নিন্দা জানাতে হবে এবং সেই সব সরকারগুলোর বিরুদ্ধে কথা বলতে হবে যারা এই ধরনের অপব্যবহার সংঘটিত করে, এর সাথে জড়িত থাকে, অথবা এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়;  
- এই সকল চর্চাগুলো প্রতিরোধ করতে হবে;
- নির্যাতন ও অন্যান্য নিষ্ঠুর-আচরণ অনুমোদন ও সংঘটনের জন্য দায়ী ব্যক্তিদেরকে বিচারের সম্মুখীন করতে হবে;
- নিশ্চিত করতে হবে যে নির্যাতন বা অন্যান্য নিষ্ঠুর-আচরণের মাধ্যমে সংগৃহীত তথ্য কোনো কার্যবিবরণীতে প্রমাণ হিসেবে আবাহন করা যাবে না, এর ব্যতিক্রম হতে পারে নির্যাতনের জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে নির্যাতনের প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে৷

ছবি ও ভিডিও

নির্যাতনের ন্যায্যতা কখনোই প্রতিপাদন করা যাবে না (ভিডিও, ২৬ জুন ২০০৮)

 

ওয়েটিং ফর দি গার্ডস্’ শীর্ষক ভিডিও থেকে স্থিরচিত্র যা গোপন কারাগারে নির্যাতনের প্রতিচ্ছবি ফুটিয়ে তোলে

ফিলিপাইন ন্যাশনাল পুলিশের ৩০০-এরও বেশি সদস্য ও মানবাধিকার কর্মী নির্যাতনের বিরুদ্ধে দৌড়ে অংশগ্রহণ করে, ২৬ জুন ২০০৮৷


আরো পড়ুন

 

নির্যাতন সম্পর্কে আরো জানুন আমাদের তথ্যপত্রে, ‘নির্যাতনের জন্য কোনো পালানোর স্থান নেই’

 

পাকিস্তানঃ বলপূর্বক অন্তর্ধানঃ পাকিস্তানে অন্তর্হিত ন্যায়বিচার (তথ্যপত্র, ১ অগাস্ট ২০০৮)

 

যুক্তরাষ্ট্রঃ নির্যাতন, বলপূর্বক অন্তর্ধান ও দায়মুক্তি (তথ্যপত্র, ১ মে ২০০৮)

 

যুক্তরাষ্ট্রঃ জবাব দেয়ার জন্য একটি ঘটনাঃ আবু ঘ্রাইব থেকে সিআইএ-এর গোপন কারাগার (প্রতিবেদন, মার্চ ২০০৮)

 

তিউনিশিয়াঃ নির্যাতন, অবৈধভাবে আটক রাখা ও পক্ষপাতমূলক বিচার (তথ্যপত্র, মে ২০০৮)

 

যুক্তরাষ্ট্রঃ নিষ্ঠুর ও অমানবিকঃ গুয়ান্তানামোর অবস্থা (তথ্যপত্র, ১০ ডিসেম্বর ২০০৭)

 

জর্দানঃ ‘আপনি স্বাক্ষর করার জন্য আপনার স্বীকারোক্তি প্রস্তুতঃ’ রাজনৈতিক সন্দেহভাজনদেরকে আটক রাখা ও নির্যাতন (প্রতিবেদন, ২৪ জুলাই ২০০৬)

 

আলজেরিয়াঃ “সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই”-এ নির্যাতনঃ আলজেরিয়ার প্রেসিডেন্টের প্রতি একটি স্মারকলিপি (প্রতিবেদন, ১৮ এপ্রিল ২০০৬)

 

বহির্মুখী সংযুক্তিঃ

 

নির্যাতন প্রতিরোধ সংস্থা (এসোসিয়েশন ফর দি প্রিভেনশন অব টর্চার, এপিটি)

 

মানবাধিকার সম্পর্কিত জাতিসংঘ হাই কমিশনারের অফিস - নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি

 

নির্যাতনের বিরুদ্ধে বিশ্ব সংস্থা

 

ভাঙ্গা আইন, ভাঙ্গা জীবনঃ যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক নির্যাতনের মেডিকেল প্রমাণ (প্রতিবেদন - মানবাধিকারের জন্য চিকিৎসক)