অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল প্রতিবেদন ২০০৯: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ

বাংলাদেশ
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ

রাষ্ট্রপ্রধানঃ ইয়াজউদ্দীন আহমেদ
সরকার প্রধানঃ ফখরুদ্দীন আহমেদ
মৃত্যুদণ্ডঃ রেখে দেয়ার পক্ষে
জনসংখ্যাঃ ১৬১.৩ মিলিয়ন
প্রত্যাশিত জীবনকালঃ ৬৩.১ বছর
৫-বছরের কম বয়সীদের মৃত্যুহার (ছেলে/মেয়ে): ৬৮/৬৭ প্রতি ১,০০০ জনে
বয়স্ক সাক্ষরতাঃ শতকরা ৪৭.৫ ভাগ

গত সাত বছরের মধ্যে প্রথম জাতীয় সংসদীয় নির্বাচনে, ২৯শে ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগ প্রধানত শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণের মাধ্যমে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে৷ নির্বাচনের আগে, জরুরি অবস্থা ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার শিথিল করা সত্ত্বেও, সমবেত হওয়া ও সংগঠন করার স্বাধীনতার ওপর নিষেধাজ্ঞা ছিল এবং সারা দেশজুড়ে হাজার হাজার রাজনৈতিক কর্মী তাদের দলীয় কার্যালয়ে শান্তিপূর্ণভাবে সমবেত হওয়ার চেষ্টা করলে তাদেরকে আটক করা হয়৷ শান্তিপূর্ণ মিছিলকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়ার জন্য পুলিশ মাত্রাতিরিক্ত বল প্রয়োগ করে, এবং অংশগ্রহণকারীদেরকে আহত করে৷ শুধুমাত্র বছরের প্রথমার্ধে পুলিশ ও র্যা পিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যা ব) এর সদস্যদের দ্বারা বিচারবহির্ভুত হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে কমপক্ষে ৫৪ ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বলে অনুমান করা হয়৷ এই মৃত্যুগুলোর জন্য কাউকে দায়ী করা হয়নি৷ কমপক্ষে ১৮৫ জন ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়, এবং পাঁচজন ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়৷ সারা বছরজুড়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারকে জোরদার করেছে৷ সেপ্টেম্বরে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন প্রতিষ্ঠাকারী একটি অধ্যাদেশ কার্যকর করা হয়৷ তথ্যের অধিকার অধ্যাদেশটি অক্টোবরে আইনে পরিণত করা হয়, যার অধীনে সরকারি সংস্থাগুলোর কাছে থাকা তথ্য পাওয়ার জন্য জনগণ অনুরোধ জানাতে পারে৷ তবে, এই অধ্যাদেশ থেকে আটটি নিরাপত্তা এজেন্সিকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে যদি না যাচিত তথ্য দুর্নীতি ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের সাথে সংশ্লিষ্ট হয়৷

পটভূমি
বছরটি শুরু হয়েছিল সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে, ১১ জানুয়ারি ২০০৭ সালে আরোপিত জরুরি অবস্থার অধীনে নিষেধাজ্ঞাগুলো কার্যকর করা অব্যাহত রাখার মধ্য দিয়ে৷ এটি শেষ হয়েছে ১৭ই ডিসেম্বরে জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার করার মাত্র এক সপ্তাহ পরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের মধ্য দিয়ে যা আওয়ামী লীগকে ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রদান করে৷

২৯শে ডিসেম্বরে সংসদীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পর গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া পুনরায় চালু করা প্রসঙ্গে সামরিক কর্তৃপক্ষের প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত অনিশ্চয়তা দূর হয়ে যায়৷ দুইটি রাজনৈতিক জোট - একটি আওয়ামী লীগের শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এবং অপরটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে - নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে৷ এটা এখনো দেখা বাকি আছে যে নতুন সরকার তার নির্বাচনী অঙ্গীকারগুলো পূরণ করার জন্য এই অনন্য সুযোগটি ব্যবহার করে কিনা এবং মানবাধিকারের রক্ষাকবচগুলো জোরদার করে কিনা৷

আইন অনুযায়ী ও প্রায়োগিকভাবে নারীর বিরুদ্ধে বৈষম্য অব্যাহত রয়েছে, এবং পেটানো, এসিড নিক্ষেপ ও যৌতুকের কারণে মৃত্যু সহ নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতার খবর পাওয়া গেছে৷ মার্চ মাসে, নারীর জন্য সমতাকে আরো প্রসারের লক্ষ্যে সরকার জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতিমালা সংশোধনের ঘোষণা দিয়েছিল৷ তবে, এই ঘোষণাটি ইসলামপন্থী দলগুলোর কাছে থেকে তীব্র প্রতিরোধের সম্মুখীন হওয়ার কারণে সংশোধনীগুলো বাস্তবায়ন করা হয়নি, এই দলগুলো বিরোধীতা করে মিছিল করেছে এবং বলেছে যে এই সংশোধনীগুলো ইসলামী উত্তরাধিকার আইনকে লঙ্ঘন করে৷

বাঙালি বসতি স্থাপনকারীরা চট্রগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের জুম চাষকারী আদিবাসী অধিবাসীদের জমি কেড়ে নেয়া অব্যাহত রেখেছে৷ জাতিসংঘের তিনজন বিশেষ প্রতিনিধি - আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মানবাধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতার অবস্থা সম্পর্কে, পর্যাপ্ত বাসস্থান ও খাদ্যের অধিকার সম্পর্কে - উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে আদিবাসী নয় এমন জনগোষ্ঠীকে চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলে স্থানান্তরের একটি পদ্ধতিগত প্রচারাভিযান থাকতে পারে যাতে স্থানীয় আদিবাসী সম্প্রদায়কে সংখ্যায় ছাড়িয়ে যাওয়া যায়৷

ঢাকা ও অন্যান্য প্রধান প্রধান শহর থেকে বস্তিবাসীদেরকে বলপূর্বক উচ্ছেদ করা হয়েছে৷ ক্ষতিপূরণ প্রদান বা বিকল্প বাসস্থানের ব্যবস্থা না করেই তাদের বাড়িঘরগুলোকে ধ্বংস করা হয়েছে৷ হাউজিং প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ করা জমি থেকে মানুষকে উচ্ছেদ করার জন্য সাধারণত আদালতের নির্দেশ ব্যবহার করা হয়েছে৷

সন্ত্রাস-দমন অধ্যাদেশ প্রয়োগ করা হয়েছে৷ এতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ব্যাপক-ভিত্তিক সংজ্ঞা নির্ধারণ বিধিবহির্ভূতভাবে গ্রেপ্তার করা ও আটক রাখার বিরুদ্ধে রক্ষাকবচকে আরো দুর্বল করেছে৷

ন্যায়বিচারের মানদণ্ডসমূহকে ক্রমাগতভাবে দুর্বল করা হয়েছে এবং জরুরি আইনের মাধ্যমে আরো খারাপের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে কারণ বিবাদীরা আইনের যথাযথ প্রক্রিয়ার সুবিধা পাওয়ার সুযোগ সীমিত ছিল৷

আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সরকার পুলিশ, র্যা ব ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর পাশাপাশি সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করা অব্যাহত রাখে৷ সেনাবাহিনীকে ২০০৭-এর জানুয়ারিতে আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য মোতায়েন করা হয়, নভেম্বরের প্রথম দিকে তাদেরকে সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করে নেয়া হয় কিন্তু ১৮ই ডিসেম্বর পুনরায় মোতায়েন করা হয় এবং নির্বাচনের পর পর্যন্ত তারা মোতায়েন ছিল৷

মত প্রকাশ, সমাবেশ ও সংগঠন করার স্বাধীনতা
মত প্রকাশের স্বাধীনতার ওপর নিষেধাজ্ঞা কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হয়নি এবং অবশেষে নভেম্বরে এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়৷ যদিও মে ও নভেম্বর মাসে সমাবেশ ও সংগঠন করার স্বাধীনতার ওপর থেকে কিছু নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয়া হয়, ১৭ই ডিসেম্বরে প্রত্যাহার করে নেয়ার আগ পর্যন্ত জরুরি আইনের অধীনে অনেক নিষেধাজ্ঞা বলবৎ ছিল৷

মে মাসে ঘরোয়া রাজনৈতিক বৈঠকের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হলেও ঘোষণাটির পর অল্প সময়ের মধ্যে বিভিন্ন দলের প্রায় ৩০,০০০ রাজনৈতিক কর্মীকে তাদের দলীয় অফিসে সমবেত হওয়ার জন্য গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানা যায়৷ তাদেরকে মুক্তি দেয়ার আগে পুলিশ কয়েক দিন থেকে দুই মাস পর্যন্ত সময়ের জন্য তাদেরকে আটক রাখে, হয় কোনো অভিযোগ ছাড়াই অথবা স্পষ্টত অপ্রাসঙ্গিক অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত করার পর জামিন প্রদানের মাধ্যমে৷

৩ নভেম্বর তারিখে, সরকার রাজনৈতিক সমাবেশের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা আংশিক প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছিল কিন্তু এটি ১২ ডিসেম্বরের আগে বাস্তবায়ন করা হয়নি৷

ব্যাপক ও অতিরিক্ত বল প্রয়োগ
অনেকগুলো ঘটনায় পুলিশ শান্তিপূর্ণ সমাবেশের ওপর ব্যাপক ও অতিরিক্ত বল প্রয়োগ করে৷ ৬ জুলাই তারিখে, পুলিশ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কয়েক শত কর্মীকে আক্রমণ করে যারা একজন আটক দলীয় নেতাকে দেখার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের হাসপাতাল প্রাঙ্গনে শান্তিপূর্ণভাবে সমবেত হয়েছিল, উক্ত নেতাকে দুর্নীতির অভিযোগে হাসপাতাল থেকে আদালতে শুনানির জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল৷ উক্ত ঘটনার সংবাদ সংগ্রহের জন্য দায়িত্বরত একজন চিত্র-সাংবাদিক সহ কমপক্ষে ১৫ জন ব্যক্তি আহত হন৷

১১ নভেম্বর তারিখে, ঢাকার বায়তুল মোকাররম মসজিদে জামায়াতে ইসলামীর হাজার হাজার কর্মীকে ছত্রভঙ্গ করে দিতে পুলিশ লাঠি ও রাইফেলের বাট ব্যবহার করে৷ যদিও ৩ নভেম্বর তারিখে সরকার ঘোষণা করেছিল যে নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক সমাবেশের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে, পুলিশ সমাবেশের সংগঠকদেরকে জানায় যে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার কার্যকর করা হয়নি এবং শান্তিপূর্ণ সমাবেশকে বলপূর্বক ছ্ত্রভঙ্গ করে দেয়, কমপক্ষে ৩০ জন বিক্ষোভাকারীকে আহত করে৷

বিচার-বহির্ভুত হত্যাকাণ্ড ও দায়মুক্তি
বছরের প্রথমার্ধে পুলিশ ও র্যা ব কমপক্ষে ৫৪টি সন্দেহজনক বিচার-বহির্ভুত হত্যাকাণ্ড ঘটায় এবং বছরের দ্বিতীয়ার্ধে এই ধরনের ঘটনা আরো বেশি ঘটেছে বলে বিশ্বাস করা হয়৷ পুলিশ বা রযা্ বের কোনো সদস্যকে অভিযুক্ত করা হয়নি৷ সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, পুলিশ ও র্যা ব কর্তৃক সকল প্রাণঘাতী গুলিবর্ষণের ঘটনায় বাধ্যতামূলক বিচার-বিভাগীয় তদন্ত করা হয়েছে, এবং সেগুলোর ন্যায্যতা প্রতিপাদিত হয়েছে৷ কতগুলো বিচার-বিভাগীয় তদন্ত করা হয়েছে তার সংখ্যা এবং ওই ধরনের তদন্তের ফলাফল জনসম্মুখে প্রকাশ করা হয়নি৷

•    ২৭ জুলাই তারিখে, পুলিশ বেআইনী ঘোষিত পূর্ব বাংলা কম্যুনিস্ট পার্টির (লাল পতাকা অংশ) নেতা ডা. মিজানুর রহমান টুটুলের মৃত্যুর কথা ঘোষণা করে একটি তথাকথিত “ক্রসফায়ারের” ঘটনা হিসেবে - বিচার-বহির্ভুত হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দেয়ার জন্য প্রায়ই এই পরিভাষাটি ব্যবহার করা হয়৷ ২৬ জুলাই তারিখে ডা. টুটুলের মা সাংবাদিকদেরকে তার গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানান এবং তার নিরাপত্তার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে প্রকাশ্যে সনির্বন্ধ অনুরোধ জানান৷

অতীতে মানবাধিকারের অপব্যবহার
এপ্রিল মাসে, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধের জন্য দায়মুক্তির অবসান ঘটাতে জাতিসংঘের সম্পৃক্ততার সম্ভাবনা সম্পর্কে জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুনের সাথে আলোচনা করেন৷ তবে, অতীতের মতই, সত্য প্রতিষ্ঠা, ন্যায়বিচার এবং ঘটনার শিকারদের পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকর ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে যুদ্ধাপরাধ, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ এবং মানবাধিকার ও মানবিক আইনের অন্যান্য গুরুতর লঙ্ঘন সম্পর্কে তদন্ত করার জন্য কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়নি৷ ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইবুনাল) আইন বাস্তবায়নের জন্য সরকার কোনো বলিষ্ঠ ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি৷

মৃত্যুদণ্ড
কমপক্ষে ১৮৫ ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়, যা মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামীদের কারাকক্ষে থাকা বন্দীর সংখ্যা কমপক্ষে ১,০৮৫-তে উন্নীত করে৷ হত্যার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়া পাঁচজন ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়, একজনের জুনে এবং বাকি চারজনের ডিসেম্বরে৷


ডিসেম্বর মাসে, বিশ্বব্যাপী মৃত্যুদণ্ড মুলতবি করার জন্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একটি প্রস্তাবের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ভোট দেয়৷

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের পরিদর্শন/প্রতিবেদন
•    জানুয়ারি মাসে, এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব আইরিন খান বাংলাদেশ সফর করেন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার ব্যক্তি, সুশীল সমাজের সংগঠনগুলো এবং রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের সাথে সাক্ষাৎ করেন৷
•    বাংলাদেশঃ বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে স্মারকলিপি (ASA 13/001/2008)
•    বাংলাদেশঃ জাতিসংঘের সর্বজনীন নিয়মিত পর্যালোচনার জন্য নিবেদনঃ মানবাধিকার কাউন্সিলের ইউপিআর ওয়ার্কিং গ্রুপের চতুর্থ অধিবেশন, ফেব্রুয়ারি ২০০৯ (ASA 13/006/2008)
•    বাংলাদেশঃ নির্বাচনগুলো মানবাধিকারের জন্য ঝুঁকি ও সুযোগ তৈরি করে (ASA 13/011/2008)